• সারাদেশ

    দূর্নীতির কারনে থাইল্যান্ডের ব্যাংককের সিংকহোল ভোলা জেলার শশীভূষণ থানার এওয়াজপুরে।

      প্রতিনিধি 1 October 2025 , 2:48:22

    মোঃ আবুল কাশেম, জেলা প্রতিনিধি, ভোলাঃ

    ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার শশীভূষন থানার এওয়াজপুর ইউনিয়নের ও রসুলপুর ইউনিয়নের সড়ক সংযোগের জন্য শশীভূষণ বাজার সদর কলেজ লিংক রোডে শশীভূষন প্রণালী বা লেতরা খালের উপর দূর্নীতি ও সন্ত্রাসের দ্বারা নির্মিত ব্রীজের উত্তরের অবৈধ ও বেআইনী ব্রীজ এপ্রোচ সড়কাংশে- অখন্ড ভারতের নয়া দেশ থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংকক শহরে ঘটিত সিংক হোলের মত- ঘটমান দশার কারনে, দিনে-রাতে ঐ ব্রীজ দিয়ে বিলাসী চলাচলকারীদের বাস, ট্রাক, লড়ি, পিকআপ, কাভার্ড ভ্যান, মাইক্রোবাস, লেক্সাস, নোয়া, ইসুজুট্রুপার, পাজেরো, মার্সিডিজ, বিএমডব্লিউ, গুগল, জিক্সার, টয়োটা, এপাচি, এফজেড, পালসার, হিরো, হোন্ডা, ডিসকভার, বোরাক, টেম্পু, টমটম, ঠেলাগাড়ি, ইট-বালি-টিন-রড-সিমেন্ট সহ বিভিন্ন মালামাল আনা-নেওয়ার মালবাহী গাড়ি চলাচল অসম্ভব হয়েছে। এমনকি এওয়াজপুর এলাকার দেহ সৌষ্ঠব ও দেহ ব্যবসার উন্নত দৈহিক মেয়ে-নারী-তরুনী-যুবতি-রমনী-মহিলাদের সাথে শশীভূষণ থানার ও থানার সংযোগে আগত অসাধু পুলিশ ও অসাধু পুলিশ অফিসারদের যৌন মেলামেশার চোরাগুপ্ত দ্রুত আসা-যাওয়ার জন্য দক্ষিণ দিক থেকে প্রবেশ করার ক্ষেত্রে বেশ সমস্যা হয়েছে। পূর্ব, পশ্চিম ও উত্তর দিক দিয়ে আসা-যাওয়ার পথ অক্ষত আছে। এহেন কাজে দক্ষিণ দিক হতে চোরাগুপ্ত আসা-যাওয়ার জন্য শশীভূষণ বাজার সদর কলেজের এক মহিলা ষ্ট্যাফের স্বামী নুরুন্নবীর খালপাড়ের ঘরের পশ্চিমের মফিজ ও তরিক মাঝির ঘর বরাবরে এপার-ওপার আসা-যাওয়ার সাবেক চোরাগুপ্ত পথ অপরিবর্তনীয়ভাবেই আছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে- ব্রীজের উত্তর এপ্রোচ অংশ অবৈধ ও বে-আইনীভাবে- অন্যের বন্দোবস্ত নেওয়া মালিকানার জায়গা অধিগ্রহণ না করে স্থাপন করা হয়েছে। তাতে উক্ত ব্রীজ নির্মানে ভূমি আইন লঙ্ঘন করা হয়েছে। ব্রীজের দক্ষিণ পাড়ের এপ্রোচ অংশ তিনশত মিটার স্ট্রেইট হওয়ার স্টিমেইট থাকলেও নির্মানকালে রসুলপুর ইউনিয়নের রাস্তার পার্শ্বের জহির চেয়ারম্যানের বসতির নয়া দালান ভবনের সৌকর্যতা বর্ধিতমানে প্রদর্শিত করার উদ্দেশ্যে এপ্রোচের পুরো তিনশত মিটার দৈর্ঘাংশ নির্মান করে নাই। এওয়াজপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ নেতা রেজাউল করিম ও রসুলপুরের জহির চেয়ারম্যান পরস্পর পরস্পরের আত্মীয় (বায়রা-বায়রা) হওয়ায়, উভয়ের গোপন যোগাযোগের সহায়তায় ব্রীজ নির্মানের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান- তিনশত মিটার এপ্রোচ নির্মানের প্রায় শতকরা আশিভাগের টাকা আত্মসাৎ করেছে। যাকে-তাকে পাগল বলার জন্য শশীভূষন বাজার সদর কলেজের এক শিক্ষক সোলায়মান, এওয়াজপুর ইউনিয়নের করিম নেতা, রসুলপুর ইউনিয়নের জহির চেয়ারম্যান এবং এওয়াজপুর বাজারের স্থানীয় অজুফিয়া মাদ্রাসার এক শিক্ষক আলমগীর চোরাগুপ্তভাবে যোগসাজশ করে উক্ত ব্রীজের এপ্রোচ নির্মান কার্যার্থ হতে আত্মসাৎকৃত অর্থাংশগুলো বা টাকাগুলো দিয়ে দেশি-বিদেশি হাঁস-মুরগীর মাংশ ঝাল-পোড়া-ভূনা করে খেয়ে ফেলেছে। এতে উক্ত ব্রীজ নির্মানে স্পষ্টত-ই স্থানীয় নেতা, চেয়ারম্যান ও শিক্ষকদের দ্বারা দেশের অর্থ আইন লঙ্ঘিত হয়েছে। অফিসিয়াল খোজঁ-খবর হতে জানা যায় যে, এওয়াজপুর ইউনিয়নের দুই নং ওয়ার্ডের রহমতপুর এলাকার উত্তর-দক্ষিণ লম্বায়নে বিদ্যমান হালট রুপান্তরে রহমতপুর সড়কের সাথে- রসুলপুর ইউনিয়নের শশীভূষণ বাজার সদর কলেজ লিংক রোডের সাথে সড়ক সংযোগ করার জন্য শশীভূষণ প্রনালী বা লেতরা খালের উপর ব্রীজ নির্মানের উদ্দেশ্যে তিনকোটি টাকা বরাদ্ধ হয়েছে। ব্রীজ নির্মানের ডিজিটাল বিধি-বিধান বা অনলাইন বিধি-বিধান লংঘন করে স্থানীয় সাংসদ আব্দুল্যাহ আল ইবলিশ জ্যাকব ক্ষমতার জোরে যাকে তাকে বিভিন্ন ব্রীজ নির্মানের দায়িত্ব দেওয়ার জন্য অফিসিয়াল ফাইল-পত্র তার নিজ বাসায় নিয়ে যায়। সেখান থেকে যে যেভাবে পেরেছে সাংসদের কাছ থেকে নির্মান কাজ নিয়েছে। এতে প্রতীয়মান হয় যে, ব্যাপক অনিয়ম ও দূর্নীতির কারনে ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার শশীভূষন থানার এওয়াজপুর ও রসুলপুর ইউনিয়নের সড়ক সংযোগের জন্য শশীভূষণ বাজার সদর কলেজ লিংক রোডে শশীভূষন প্রণালী বা লেতরা খালের উপর দূর্নীতিবাদী নির্মিত ব্রীজের উত্তরের অবৈধ ব্রীজ ও বেআইনী এপ্রোচ সড়কাংশে- অখন্ড ভারতীয় দেশ থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংকক শহরে ঘটিত সিংকহোলের মত- ঘটমান দশা হয়েছে। যা রাষ্ট্রীয় আইন-কানুনের ব্যপক লঙ্ঘনের কারনে ঘটেছে। সরজমিনে খোঁজ-খবর নিয়ে জানা যায় যে, চরফ্যাসন থানার ছাদেক চৌকিদার নামক এক গ্রাম পুলিশের মোষ্ট নটোরিয়াসগিরির ব্যবস্থাপনায় তদানীন্তন চরফ্যাসন থানার এক পুলিশ অফিসার ইনচার্জ নজরুল ইসলামের মোষ্ট নটোরিটির আশ্রয়ে ঐ এলাকায় ঊনবিংশ শতাব্দীর ষাট দশকে বহু বিবাহী ছিদ্দিক কেরানী বাহিনী ও বহু বিবাহী মোতালেব মেম্বার বাহিনী নামক দুই কুখ্যাত সন্ত্রাসী বাহিনীর উদ্ভব ঘটে। রাজনৈতিক স্বার্থে ঐ দুই কুখ্যাত সন্ত্রাসী বাহিনী পরস্পর পরস্পরের বিরোধী হলেও খুন, গুম, ধর্ষণ, মাগিবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ড বাস্তবায়নে উভয় বাহিনীর-ই একই ধরন। উক্ত অভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকান্ড পরিচালন বাহিনীর প্রজন্মের রন্জু নামক এক কিশোর স্থানীয় সাংসদ আব্দুল্যাহ আল ইবলিশ কে নানান তোষামোদ করে ঐ ব্রীজ নির্মানের দায়িত্ব হাতিয়ে নিয়ে তিন কোটি টাকার সরকারী নির্মান কর্মের দুই কোটি টাকা আত্মসাৎ করার উদ্দেশ্যে এক কোটি টাকায় নির্মান সম্পন্ন করে সরকারকে তিনকোটি টাকার নির্মান বুঝ দেওয়ার পরিকল্পনা নেয় এবং বর্তমান ভৌতিক ব্রীজটির নির্মানের এই কাল্পনিক ভৌতিকতা স্থাপন করে। যা স্পষ্ট প্রমাণ করে যে, উক্ত ব্রীজ নির্মানে সরকারের নির্মান আইনের লঙ্ঘন হয়েছে। আরো খোঁজ খবর নিয়ে জানা যায় যে, তিনকোটি টাকার ব্রীজ এক কোটি টাকায় বুঝ দেওয়ার নির্মান কাজেও পুরাতন রড ব্যবহার করেছে। গুনগত মানহীন রড দিয়ে নির্মান করেছে। রড নির্মানের ইনগ্রেডিয়েন্ট বিহীন ইনগ্রেডিয়েন্ট দিয়ে নির্মিত রড ব্যবহার করে ব্রীজের নির্মান কাজ করা হয়েছে। নির্মাতারা চোরাই রডও ব্যবহার করেছে। পরিমিত মানের ক্লিংকারহীন সিমেন্ট দিয়ে, গুনগতমানহী সিমেন্ট দিয়ে ও মেয়াদোর্ত্তীর্ণ সিমেন্ট দিয়ে ঐ ব্রীজ নির্মান করেছে। ঢালাইয়ের কাজে সিলেটের চোরাই পাথর ব্যবহার করেছে। মাটি মিশ্রিত বালি ব্যবহার করেছে। পাইলিং-এ রয়েছে শুভঙ্করের ফাঁকি। তাতে উক্ত তিন কোটি টাকার কাজে শুধু চল্লিশ লক্ষ টাকাও ব্যবহার না করেই রাষ্ট্রের তিন কোটি টাকা তুলে নিয়ে আত্মসাৎ করার খবর পাওয়া গেছে। “কে এই দূর্নীতিবাজ কিশোর রঞ্জু”— এমন প্রশ্নের উত্তরে জানা গেছে যে, সে (রঞ্জু) এক ভূয়া মুক্তিযোদ্ধার সন্তান। বিগত আওয়ামী ফ্যাসিবাদী সরকার মুক্তিযোদ্ধাদেরকে ভাতা দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহন করলে, রাষ্ট্রীয় কোষাগারের টাকা লন্ডভন্ড করে অন্যায়ভাবে লাভবান হওয়ার দূরাশায় সরকারী আমলা-কামলার দালাল চক্রকে ৪,০০,০০০/= (চার লক্ষ টাকা মাত্র) ঘুষ প্রদান করে রঞ্জুর পিতা ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা হয়। রঞ্জুর নানা সন্ত্রাসী ছিদ্দিক কেরানী বাহিনী ও সন্ত্রাসী মোতালেব বাহিনী মিলে ঐ এলাকায় দুই নম্বর স্কুল নামে একটি স্কুল বিল্ডিং স্থাপনের কার্যাদেশ হলে উক্ত সরকারি কার্যাদেশের বিল্ডিংও স্কুলের জায়গায় স্থাপন না করে অন্যের মালিকানার জায়গায় নির্মান করিয়ে দিয়েছে। সন্ত্রাসী ছিদ্দিক কেরানী বাহিনী ও সন্ত্রাসী মোতালেব বাহিনী মিলে এলাকায়, দেশে, সমাজে বহু চুরি, ডাকাতি, খুন, খারাপি, গুম, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট করেছে। এদিকে স্থানীয় দূর্নীতিবাজ সাংসদের খোঁজ-খবর নিয়ে জানা গেছে যে, সে আব্দুল্যাহ আল ইবলিশ জ্যাকব। সে ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিগত সতের বছরে রাষ্ট্রীয় কাজের নামে সরকারী কাজ হাইজ্যাক করে হাজার হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে। উক্ত তিন কোটি টাকার ব্রীজ সেইগুলোর মধ্যের একটি। তাই উক্ত ব্রীজের টাকা মেরে দেওয়ার রঞ্জু বাহিনীর কাছ থেকে রাষ্ট্রের সকল টাকা উদ্ধার করে তাদেরকে আইনের আওতায় সাজা দেওয়া প্রয়োজন। সাজা প্রদান না করলে দেশে কোন উন্নয়নই করা যাবে না। কারন যারাই উন্নয়নে হাত দিবে তারাই চুরিতে নিয়োজিত হবে। ছবিতে- সড়ক সিংক হোল।

    আরও খবর

                       

    জনপ্রিয় সংবাদ

    নোটিশ :