প্রতিনিধি 6 March 2026 , 2:37:55
ডি.এম. মাসুদ নিজস্ব প্রতিবেদক ;


ঢাকা | শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬ নতুন বাংলাদেশের অগ্রযাত্রায় বহির্বিশ্বের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ককে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান দেশনায়ক তারেক রহমান। আজ শুক্রবার (৬ মার্চ ২০২৬) পবিত্র রমজানের প্রথম ভাগে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় ঢাকায় নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও কূটনীতিকদের সম্মানে এক বিশেষ ইফতার মাহফিলের আয়োজন করেন তিনি। আস্থার নতুন দিগন্ত: কূটনৈতিক সংহতি ইফতার মাহফিলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, চীন, ভারত, সৌদি আরবসহ বিশ্বের প্রভাবশালী দেশগুলোর রাষ্ট্রদূত এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় আয়োজিত এই ইফতার অনুষ্ঠান কেবল একটি সামাজিক মিলনমেলা নয়, বরং এটি বর্তমান সরকারের প্রতি বিশ্ব সম্প্রদায়ের গভীর আস্থা ও সুদৃঢ় সমর্থনের এক শক্তিশালী প্রতিফলন। সপরিবারে প্রধানমন্ত্রী: আতিথেয়তায় অনন্য নজির এবারের ইফতার মাহফিলে এক অনন্য মাত্রা যোগ করেছে প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের উপস্থিতি। প্রধানমন্ত্রীর পাশে থেকে কূটনীতিকদের অভ্যর্থনা জানান বিশিষ্ট কার্ডিওলজিস্ট ডা. জুবাইদা রহমান এবং তরুণ প্রজন্মের আইকন ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। তাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এবং বিদেশি অতিথিদের সাথে কুশল বিনিময় উপস্থিত সবার দৃষ্টি কাড়ে। পারিবারিক এই আবহে কূটনীতিকরা বাংলাদেশের আতিথেয়তায় মুগ্ধতা প্রকাশ করেন। দেশপ্রেমিক নেতৃত্বের প্রতিফলন ডি.এম. মাসুদের বিশ্লেষণে উঠে এসেছে যে, বিগত আওয়ামী দুঃশাসনের সময় যেখানে বিদেশি কূটনীতিকদের সাথে সম্পর্কের টানাপোড়েন ছিল নিত্যনৈমিত্তিক বিষয়, সেখানে তারেক রহমানের এই উদার ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নেতৃত্ব প্রমাণ করছে যে বিএনপি কেবল একটি দেশপ্রেমিক রাজনৈতিক দলই নয়, বরং তারা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে দক্ষ ও ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতেও অঙ্গীকারবদ্ধ। সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের বার্তা ইফতারের পূর্বে প্রধানমন্ত্রী আমন্ত্রিত অতিথিদের সাথে দেশের বর্তমান উন্নয়ন চিত্র এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা সুসংহত করার বিষয়ে সংক্ষেপে মতবিনিময় করেন। মাহফিলে দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি এবং বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি কামনায় বিশেষ দোয়া করা হয়। উপস্থিত কূটনৈতিক মহলের মন্তব্য—তারেক রহমানের এই দূরদর্শী নেতৃত্ব এবং আতিথেয়তা বাংলাদেশের বৈদেশিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী ও গতিশীল করবে।

















