প্রতিনিধি 29 November 2025 , 11:27:56
ডেমরা প্রতিনিধি :


রাজধানী ডেমরা থানার ৭০ নং ওয়ার্ড ঠুলঠুলিয়া গ্রামের কৃতি সন্তান দৈনিক এশিয়াবাণীর সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার ও ডেমরা প্রেস ক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক এম আজম ইকবাল তার পাওনা ২২ লক্ষ টাকা চাইতে গেলে একই এলাকার সোলেমান হোসেন (৫৬) পিতা শাহজাহান গং তার উপর ক্ষিপ্ত হলে সে গত ১২/০৭/২০২৫ ইং তারিখে ডেমরা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। পরবর্তীতে এ অভিযোগ দায়ের করার কারণে প্রতারক সোলেমান লোকজন নিয়ে সাংবাদিক আজম ইকবালের উপর অতর্কিতভাবে হামলা চালায়। বর্তমানে পাওনা টাকা চাওয়ায় জীবনের নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছেন এই সাংবাদিক। সর জমিনে তদন্ত করে জানা যায় প্রতারক সোলেমান হোসেন বিভিন্ন লোকের কাছ থেকে চাকুরীর প্রলোভন দেখিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেন ও ক্যান্সার রোগীদের সরকার চিকিৎসার জন্য নগদ অর্থ প্রদান করেন বলে সে আশ্বস্ত করিয়া সহজ সরল রোগীদের নিকট হইতে নগদ অর্থ হাতিয়ে নেন বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। কে এই সোলেমান? প্রতারক সুলেমান কোথাও পরিচয় দেয় সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব,আবার কোথাও পরিচয় দেয় সমাজকল্যা মন্ত্রণালয়ের কম্পিউটার অপারেটর, আবার কেউ বলে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সে একজন পিয়ন। এই প্রতারক সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নাম ভাঙ্গিয়ে বিভিন্ন সহজ সরল মানুষের সাথে দীর্ঘদিন যাবত প্রতারণা করে আসছে বলে এলাকাবাসী জানান। জানা যায় ৫ ই আগস্টের পর সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় এই বিষয়ে জানাজানি হলে প্রতারক সোলেমানকে ২/৩ বার বিভিন্ন দপ্তরে বদলি করা হলেও বর্তমানে পুনরায় এখন আবার সেই সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে কর্মরত। জানতে চাওয়া হলে প্রতারক সোলেমান বলেন মন্ত্রণালয়ের সচিব নাকি তার পকেটে টাকা দিলেই সবকিছু কেনা যায়। সর জমিনে গিয়ে জানা যায় প্রতারক সোলেমান দীর্ঘদিন আওয়ামী রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত থাকায় কোটি টাকা বনে গেছেন ও এলাকায় দাপটের সাথে চলতেন। এই প্রতারকের স্ত্রীর নামে বিভিন্ন ব্যাংকে প্রায় ৩০/৪০লক্ষ টাকা রেখেছেন বলে জানা যায়। প্রতারক সোলেমান ও তার স্ত্রীর নামে বিভিন্ন জায়গায় জমি রাখা এলাকায় সরকারি খাস জমিবেচাকেনা সহ তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ উঠেছে
এলাকাবাসী জানান, এই প্রতারক যে বাড়িটিতে থাকেন সেটিও নাকি সরকারি খাস জমি যাহা এল এ কেইসের আওতাভুক্ত। বর্তমানে সে এখন এলাকার বিএনপি নেতাকর্মীদের সাথে আতাত করে চলছে বলে জানান এলাকাবাসী।
এক পর্যায়ে প্রতারকের স্ত্রী সাথী আক্তার নামীয় ইসলামী ব্যাংক স্টাফ কোয়াটার শাখা যাহার হিসাব নং ৪৭৮০১০৪ হইতে ০৪/০৫/২০২৪ ইং তারিখে টাকা পাওনাদার ভুক্তভোগী এম আজম ইকবালকে ২২লক্ষ টাকা হইতে ১লক্ষ ২৫ হাজার টাকা নগদ চেক প্রদান করেন। উক্ত টাকাগুলো আজম ইকবাল ব্যাংক থেকে উত্তোলন করেন বলে তিনি জানান।
প্রতারক সোলেমান ও তার স্ত্রী সাথী আক্তার বাকি টাকা পরিশোধ করবে বলে তালবাহানা করতে থাকিলে পাওনাদার আজম ইকবাল ডেমরা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করে রাখেন যাহা নং ২০০.তাং ০৪/১১/২০২৪ ইং পরবর্তীতে দীর্ঘদিন হয়ে যাওয়ায় পাওনা টাকার কুলকিনারা না পেয়ে ডেমরা থানায় অভিযোগ দায়ের করিলে ডেমরা থানার এসআই দীপঙ্কর সর জমিনে গিয়ে তদন্ত করিলে ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায় বলে জানান। এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানান।

















