• জাতীয়

    বাংলাদেশের বৈধ ও আইনগত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

      প্রতিনিধি 22 September 2025 , 3:07:56

    মোঃ আবুল কাশেম, জেলা প্রতিনিধি ভোলা:

    বাংলাদেশের স্টেট ডিফেন্স দাবী করেছে যে, বাংলাদেশের আইনগত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ৫ই আগস্ট, ২০২৫ ইং তারিখে পদত্যাগ করেননি। নিরাপত্তার অভাবে তিনি ভারতে চলে যেতে বাধ্য হয়েছিলেন, তাকে দেশ ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য করা হয়েছে —এমন সত্য ঘটনাটির- ই দাবি করেছেন শেখ হাসিনা ও সাবেক স্ব-রাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের পক্ষে সরকারি খরচে রাষ্ট্র কর্তৃক নিযুক্ত (স্টেট ডিফেন্স) বিজ্ঞ আইনজীবী মো. আমির হোসেন। রোববার (২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ইং) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামকে জেরার সময় এমন দাবি করেন তিনি। জুলাই-আগস্টে সংঘটিত মানবতা বিরোধী অপরাধের মামলায় শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে ৪৭তম সাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দেন নাহিদ। জবানবন্দিতে দেওয়া নাহিদ ইসলামের বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করেন জনাব মোঃ আমির হোসেন। তিনি বলেন, ২০২৪ ইং সালের ৩রা আগস্ট সরকার পতনে ডাকা এক দফা কর্মসূচি দীর্ঘদিনের পরিকল্পনার প্রতিশ্রুতি ছিল। এ আন্দোলনের পেছনে দেশি-বিদেশি শক্তির হাত ছিল। দেশি-বিদেশি শক্তির ইন্ধন ছিল বিধায় ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। স্টেট ডিফেন্সের এমন কথার পরিপ্রেক্ষিতে জীবিকা নির্বাহের তাগিদে কথা বলতে বাধ্য ও ক্ষধার্ত প্রসিকিউশন আপত্তি জানান। সঠিক প্রসঙ্গ হওয়ায় তাদের মতামতে দেখানো হয় যে, এ মামলায় এমন আলোচনা করার সুযোগ নেই। মামলা সম্পর্কিত কথা বলাই উত্তম। এ সময় শেখ হাসিনার আইনজীবী বলেন, ড. ইউনূসকে জড়িয়ে কোনো কথা বলা সমীচীন মনে করি না। কিন্তু সাক্ষীর বক্তব্যের খাতিরে সঠিকটাই বলতে হচ্ছে। শেখ হাসিনা ও কামালকে নির্দোষ দাবি জানিয়ে তিনি আরও বলেন, আন্দোলন দমনে হেলিকপ্টার ও মারণাস্ত্র ব্যবহারের কোনো নির্দেশ দেননি শেখ হাসিনা। মূলত: জনগণের জানমাল ও শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন। এছাড়া ২০২৪ ইং সালের জুলাই-আগস্টে কোনো মানবতা বিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়নি। তাই এই আসামিরা অপরাধের জন্য দায়ী নন। জনাব মোঃ আমির হোসেনের এমন প্রশ্নের জবাবে এসব সত্য নয় বলে জানায়- রাষ্ট্রের তথ্য মন্ত্রনালয় জ্বালিয়ে-পুড়িয়ে ছারখার করে দেওয়া সাক্ষী ও নিজেকে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা প্রদর্শিত নাহিদ ইসলাম। একইসঙ্গে ৫ই আগস্ট ২০২৫ ইং সারাদেশে চালানো হত্যাযজ্ঞ ও নির্যাতন সম্পর্কে সমন্বয়ক হাসনাত-সারজিসের কাছে জানতে পেরেছেন বলেও জানান তিনি। এদিন বেলা ১১টার পর দ্বিতীয় দিনের মতো ট্রাইব্যুনালে নাহিদের জেরা শুরু হয়। দুপুর সাড়ে ১২টায় জেরা শেষে তিনি প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। এর আগে, ১৮ সেপ্টেম্বর বেলা সোয়া ১১টা থেকে ট্রাইব্যুনালে ৪৭ নম্বর সাক্ষী হিসেবে দ্বিতীয় দিনের মতো সাক্ষ্য দেন এনসিপির এই আহ্বায়ক। দুপুরে তার সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে বিরতি দেওয়া হয়। বিরতি শেষে বিকেল ৪টা পর্যন্ত তাকে জেরা করেন স্টেট ডিফেন্স আইনজীবী। তবে শেষ না হওয়ায় ২১/৯/২০২৫ ইং অবশিষ্ট জেরা হয়। প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রসিকিউটর আবদুস সাত্তার পালোয়ান সহ অন্যরা। তবে বাংলাদেশের আইনগত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ক্ষমতা ছেড়ে ভারতের গাজিয়াবাদে উড়ে যাওয়া প্রসঙ্গে জানা গেল যে, ১৯৭১ ইং সালে স্বাধীন হওয়া বাংলাদেশে কারো পকেটে টাকা থাকলে সেই টাকা পকেট কাটার দলের লোকেরা নিয়ে যায়। কারো ঘরে টাকা থাকলে তা ডাকাতেরা নিয়ে যায়। কেউ কোন উপায়ের মাধ্যমে টাকা অর্জন করলে কেউ না কেউ সেই উপায়টি ছিনতাইকারীর মত ছিনিয়ে নেয়। কারো জমি থাকলে সেই জমিও জমি দস্যূরা নিয়ে যায়। কারো আইনগত বউ থাকলে সেই বউ ছিনিয়ে দেওয়ার জন্য বউয়ের পিতাকে মরিচের ভর্তার সাথে গোপনে বিষ মিশিয়ে খাইয়ে দিয়ে হত্যা ঘটানো হয়, হত্যা ঘটানোর পর বাংলাদেশের জাতীয় সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক বিবাহ আইন বা অবৈধ বিবাহ আইনের এজিনদানকারী ব্যক্তির বদলে- অবৈধ বিবাহ আইনেরও অবৈধ ব্যক্তি দিয়ে এজিন প্রদান করিয়ে উক্ত বউকে যে কোন সাইড (সুইসাইড, জেনোসাইড, হোমোসাইড, ম্যট্রিসাইড, প্যাট্রিসাইড, কিলিং, ম্যাসাকার, ফ্রাট্রিসাইড, সরোরিসাইড, ম্যরিটিসাইড, ইনফ্যান্টিসাইড, ফিলিসাইড, গাইনোসাইড, এন্ড্রোসাইড, ইনসেকটিসাইড, রেজিসাইড, সিবিলিসাইড) করে- আইনগত বউয়ের বায়োলজিক্যাল হাজব্যান্ড বা আইনগত স্বামী ব্যতীত অন্য ব্যক্তির নিকট বা বউ চোর ব্যক্তির নিকট বিয়ের নামে পাচার করা হয়। কারো ঘরে স্বর্নালংকার থাকলে সেই স্বর্নালংকার নেওয়ার সকল পড়াশোনা ঐ স্বর্নচোরেরা করে। স্বর্ন চুরির পড়াশুনা বা বিদ্যা অর্জনের পর সেই বিদ্যা দিয়ে অন্যের বাড়ী ঘরের স্বর্নালংকার নিয়ে যায়। স্বর্নালংকার নেওয়ার সকল পদ্ধতি প্রয়োগ করে। আাবার নেওয়ার পরও মামলায় পড়লে আত্মরক্ষার পদ্ধতিগুলো অবলম্বন করে। তাই শেখ হাসিনার ক্ষমতা ডাকাতি করার জন্য ক্ষমতা ডাকাত নিয়োজিত হয়, পদ্ধতিগতভাবে ক্ষমতা ডাকাতি শুরু করে, আব্দুল্যাহ আল ইবলিশ জেকব ভোলা-চার এর এমপি হয়, গুলশানে ইবলিশ জেকবকে হাওয়া পাড়া বা বেগম পাড়া দেওয়া হয়, গুলশানে জেকবকে দিয়ে গন্ধম খাওয়ানোর কাজ করা হয়, পদ্মা ব্যাংক ডাকাতির মত ব্যাংকের টাকা আত্মসাৎ করে, তা দিয়ে সুচিন্তা ফাউন্ডেশনের লোককে এমপি বানায়, সেই এমপি কে তথ্য প্রতিমন্ত্রী বানানো হয় যা দিয়ে- প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা ডাকাতির সকল তথ্য সামগ্রী সংগৃহীত হয়। ফলে পাঁচই আগষ্টের গণবিপ্লব তৈরি হয়। শেখ হাসিনা জান-জীবন নিয়ে বাংলাদেশ ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হয়। বাংলাদেশের দুই মেজর জেনারেল (মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান চৌধুরী ও মেজর জেনারেল এরশাদ চৌধুরী) যেভাবে প্রেসিডেন্ট পদ দখল করেছে সেইভাবে শেখ হাসিনার ক্ষমতা দখলের জন্য মেজর জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান চৌধুরীকে দিয়ে বলানো হয় যে, শেখ হাসিনা পদত্যাগ করেছে। যেই পদত্যাগ পত্র দেখানো হয়েছে সেই পদত্যাগ পত্রে শেখ হাসিনার ভূয়া দস্তখত ও নানাবিধ ত্রুটি। তাতেই স্পষ্ট হয় যে, শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে নাই। তাকে দেশ ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য করা হয়েছে। এতে পরিষ্কার প্রতীয়মান যে, শেখ হাসিনা এখনো বাংলাদেশের আইনগত বৈধ প্রধানমন্ত্রী। ছবিতে – বাংলাদেশের আইনগত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বাংলাদেশে বউ চুরি করে নিয়ে যাওয়ার দৃশ্য।

    আরও খবর

                       

    জনপ্রিয় সংবাদ

    নোটিশ :