সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি—এই দুটি নাম যেন আমাদের জাতীয় লজ্জার প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে। ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি, ঢাকার পশ্চিম রাজাবাজারের সেই নৃশংস রাত কেবল দুই সাংবাদিকের জীবনই কেড়ে নেয়নি, কেড়ে নিয়েছে পুরো সাংবাদিক সমাজের নিরাপত্তা, কণ্ঠস্বর আর আত্মবিশ্বাস।
১২১ বার তদন্ত প্রতিবেদন? শুনতে অবিশ্বাস্য লাগলেও এটাই বাস্তব। এক-দুই নয়, একশো একুশ বার। প্রতি বারই তদন্ত হচ্ছে, ফাইল ঘোরে, কাগজে কলম চলে, অথচ মূল অপরাধীরা আজও ধরাছোঁয়ার বাইরে! এই যদি হয় সত্য প্রকাশের মূল্য, তবে আমরা কি সত্যের পতাকাই নামিয়ে ফেলব?
না। আমরা কখনো নত হব না।
আমরা যারা কলম ধরেছি, তারা জানি এর ভার কতটা। আমরা যারা মাইক হাতে প্রশ্ন করি, তারা জানি ন্যায়ের পেছনে ছুটে চলা কতটা কষ্টের। কিন্তু আজ আমরা প্রশ্ন করি—এই রাষ্ট্র কি আমাদের প্রশ্ন করার অধিকারও কেড়ে নিচ্ছে?
সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের বিচারহীনতা কেবল একটি মামলার গাফিলতি নয়, এটি গোটা রাষ্ট্রযন্ত্রের ব্যর্থতা। ১২ বছর পরও যদি একটি স্পষ্ট তদন্ত শেষ না হয়, তবে সেটি কীসের ইঙ্গিত দেয়? দায় এড়াতে থাকা, মুখে প্রতিশ্রুতি, কাজে শূন্যতা—এই যদি হয় শাসনের চেহারা, তবে আমরা আর চুপ থাকব না।
আমরা বলি—
এই দোষের ভার শুধু আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নয়, সরকারেরও।
এই লজ্জা শুধু বিচার ব্যবস্থার নয়, সমগ্র শাসনব্যবস্থার।
এই প্রতিবাদ শুধু সাংবাদিকদের নয়, গণতন্ত্রপ্রত্যাশী প্রতিটি নাগরিকের।
আমরা আর অপেক্ষা করব না। আমরা আর শুধু মোমবাতি প্রজ্বালন করব না।
আমরা প্রশ্ন করব। জবাব চাইব। চাপ সৃষ্টি করব।
কারণ সাগর-রুনি শুধু নাম নয়, আমাদের অস্তিত্বের অংশ।
আমরা ভুলিনি। আমরা ভুলব না। আমরা থামব না।
— সাহেল আহমেদ সোহেল
সাংবাদিক, প্রতিবাদে নির্ভীক কণ্ঠ
বিদ্র ;সাংবাদিক বৃন্দ আজ তুহিনকে আমরা ভুলে গেছি আমরা হারিয়ে ফেলেছি পূর্বের আরো অনেকে।
আমরা তো লিখতে জানি, আমার সিনিয়র সাংবাদিকদের শ্রদ্ধা জানাই আপনারা একটু লিখুন লিখতে হবে, প্রতিবাদ হবে রাজপথে,কলম চলবে
দ্রুত এইতো আমাদের পেশা।