সাহেল আহমেদ সোহেল.
বাংলাদেশের সাংবাদিকতার অঙ্গনে কিছু মানুষ আছেন, যারা শুধু সংবাদ পরিবেশন করেই থেমে থাকেন না—তারা হয়ে ওঠেন নিপীড়িতের আশ্রয়, নিঃস্বের কণ্ঠস্বর এবং সমাজ পরিবর্তনের অনুপ্রেরণা। ঠিক এমন একজন আলোকিত মানুষ হচ্ছেন সাংবাদিক আলী আজগর ইমন।
আমি সাহেল আহমেদ সোহেল, একজন সাংবাদিক হিসেবে গর্ববোধ করি এমন একজন সহযোদ্ধার পাশে থাকতে পেরে, যিনি প্রতিনিয়ত সাহস, নিষ্ঠা এবং মানবিকতার আদর্শ স্থাপন করে চলেছেন।
সম্প্রতি ঘটে যাওয়া একটি ঘটনা তাঁর চরিত্রের প্রকৃত রূপটি আমাদের সামনে উন্মোচিত করেছে। একজন অসহায় ভদ্রমহিলা, নাসিমা আন্টি, প্রতারণার শিকার হয়ে প্রায় সাত লক্ষ টাকা হারান। দেশের নানা প্রান্তে ঘুরেও যখন তিনি কোনো প্রতিকার পাননি, তখন তিনি ভরসা রাখেন সাংবাদিক জগতের সেই উজ্জ্বল নক্ষত্র—আলী আজগর ইমনের উপর।
আর ইমন ভাই ঠিক যেমনটি করার মানুষ, তিনি এক মুহূর্তও দেরি না করে সেই অসহায় নারীর পাশে দাঁড়ান। অল্প সময়ের মধ্যেই তাঁর বুদ্ধিমত্তা, যোগাযোগ ও সাহসিকতায় সেই সাত লক্ষ টাকা উদ্ধার সম্ভব হয়। এটি শুধু একটি আর্থিক সহায়তা ছিল না, এটি ছিল একজন সাংবাদিকের নৈতিক দায়িত্ব পালনের শ্রেষ্ঠ উদাহরণ।
তবে এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। ইমন ভাই তাঁর ক্যারিয়ারে একাধিকবার চাঁদাবাজ চক্র, দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তাদের, এবং সমাজের প্রভাবশালীদের মুখোশ উন্মোচন করেছেন। তাঁর সাহসী ও নিরপেক্ষ প্রতিবেদনের মাধ্যমে তিনি শুধু সংবাদ পরিবেশন করেন না, বরং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখেন।
সাংবাদিকতা আজকাল যখন অনেক ক্ষেত্রেই প্রশ্নবিদ্ধ, তখন আলী আজগর ইমনের মতো মানুষরা আমাদের মনে করিয়ে দেন—সাংবাদিকতা কেবল একটি পেশা নয়, এটি একটি মহান দায়িত্ব।
আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, ভবিষ্যতের সাংবাদিকরা তাঁকে “আইকন” হিসেবে দেখবে—একজন পথপ্রদর্শক, যিনি শুধু কলম চালিয়ে নয়, হৃদয়ের শক্তিতেও মানুষের পাশে দাঁড়ান।
সালাম ও শ্রদ্ধা রইলো আলী আজগর ইমন ভাইয়ের প্রতি।