• সারাদেশ

    চট্রগ্রামে পার্বতী মেয়ে ধর্ষণে সেনা সদস্য রক্তাক্ত।

      প্রতিনিধি 29 September 2025 , 6:37:28

    মোঃ আবুল কাশেম, {ভোলা জেলা} প্রতিনিধি,

    শান্তিতে নোবেল বিজয়ী ও বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্ঠা ডক্টর ইউনুসের আমলে বাংলাদেশের পার্বত্য চট্রগ্রামের গুইমারা এলাকায় পিতার কোলে রক্তাক্ত ও ধর্ষিতা মেয়ে এবং সেনাবাহিনীর রক্তাক্ততা ঘটেছে। অদৃশ্য স্বাধীনতার ও বাংলাদেশের মূল অংশ হতে বিচ্ছিন্নতার দাবীতে প্রায় ছয় ডজন যুগ ধরে চলমান আন্দোলনের অংশ হিসেবে আবারো বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামের গুইমারা এলাকার অষ্টম শ্রেণির মারমা ছাত্রীকে ধর্ষণের প্রতিবাদকে ইস্যু করে চট্রগ্রাম, সাজেক ও পার্বত্য চট্রগ্রাম এলাকায় সেনাবাহিনী, পুলিশবাহিনী ও বিজিবির সাথে ইউপিডিএফ, কেএনএফ ও পার্বত্য গোপন সংগঠন উলফা বাহিনীর উত্তপ্ত রক্তপাতের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনা সূত্রে জানা যায় যে, বাংলাদেশের পার্বত্য চট্রগ্রাম, বান্দরবন ও খাগড়াছড়ি নামক তিনটি জেলাঞ্চল বাংলাদেশ হতে আলাদা হওয়ার জন্য সোচ্চার, সক্রিয় ও দলবদ্ধ। তাই তারা বাংলাদেশের সংবিধানের ২৬ নং সংবিধিতে কথিত রাষ্ট্রীয় স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব মানে না। তাদের উক্ত দাবীকে সমর্থন জানিয়ে বাংলাদেশের আইন প্রনেতারা বাংলাদেশের বিবাহ আইন নামক- রাষ্ট্রীয় সংবিধান বিরোধী একটি আইনে ঐ তিন জেলার বাসিন্দাদেরকে স্ব-তন্ত্রবোধক ব্যবস্থার সুযোগ দিয়েছে। তাতে ঐ তিন জেলা অঞ্চলের কোন মেয়ে বাংলাদেশের অন্য কোন জেলার ছেলেদের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারবে না। আবার অন্য কোন জেলার মেয়েরা ঐ তিন জেলার ছেলেদের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে ঐ তিন জেলা ব্যতীত বা অস্থানিক প্রজন্ম তৈরি করতে পারবে না। যা ঐ বিবাহ আইনের মাধ্যমে স্পষ্ট করে যে, পার্বত্য চট্রগ্রাম, বান্দরবন ও খাগড়াছড়ি তাদের স্বাধীনতা দাবী করে এবং বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব মানে না। এমন চলন্ত ও জীবন্ত পরিস্থিতিতে ঐ তিন জেলার মানুষের সাথে অন্য কোন জেলার মানুষের জৈবিকতা গ্রহনযোগ্য নয়। মানুষের অগ্রহনযোগ্য জৈবিকতার পাহাড়ায় পার্বত্য চট্টগ্রামে প্রায়ই অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি হয় ও সন্ত্রাসী তৎপরতার পরিকল্পনা ঘটে। যা দদেশের আইন-শৃখলা বাহিনী কখনো ভেস্তে দিতে পারে কখনো পারে না। ভেস্তে দেওয়ার বল প্রয়োগের কাজে ইতিপূ্র্বে বিডিআর, পুলিশ, আনসার ও সেনাবাহিনী ব্যবহার হতো। বর্তমানে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), পুলিশ, আনসার ও সেনাবাহিনী ব্যবহার হয়। কিন্তু কেউ-ই রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন জাতীয় সংবিধান মোতাবেক অবৈধ ও বে-আইনী বিবাহ আইনটিকে বাতিল করে পরিস্থিতির স্থায়ী সমাধান করে না। সম্প্রতি স্কুল ফেরত পথে সংঘবদ্ধ ধর্ষকের দ্বারা অষ্টম শ্রেণির মারমা মেয়ে ধর্ষণের প্রতিবাদে ঐ তিন জেলার স্বাধীনতার দাবীতে ঐ তিন জেলা জুড়ে বাসিন্দাদের ব্যাপক মিছিল হয়, সহিংসতা ঘটে, প্রচুর নাশকতা ঘটে, বহু ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে পুড়িয়ে দেয়, বিজিবি ক্যাম্প পুড়িয়ে দেয়। মিছিল, সহিংসতা, নাশকতা, বহু ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে পুড়িয়ে দেয়া ও বিজিবি ক্যাম্প পুড়িয়ে দেয়া বাড়িয়ে তুলতে ইউপিডিএফ বাহিনীর আনীত বিপুল পরিমান অস্র বিজিবি’র রাঙ্গামাটির কাপ্তাই ব্যাটালিয়ন (৪১ বিজিবি)-এর আওতাধীন কুকিমারাপাড়া বিজিবি ক্যাম্পের তৎপরতায় গত ২৮ শে সেপ্টেম্বব ২০২৫ ইং তারিখ বিকালে একটি যাত্রীবাহী বাস থেকে উদ্ধার করা হয়। মিছিল, সহিংসতা, নাশকতা, বহু ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে পুড়িয়ে দেয়া ও বিজিবি ক্যাম্প পুড়িয়ে দেয়া ঠেকানোর জন্য বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), পুলিশ, আনসার ও সেনাবাহিনী যোগ দেয়। তাতে তিন জন নিহত হয় ও ১৪ সেনা সদস্য গুরুতর আহত হয়। বিজিবি কর্তৃপক্ষ জানায়, বান্দরবান থেকে রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ির উদ্দেশ্যে যাত্রা করা সম্রাট পরিবহনের একটি বাসে (ঢাকা মেট্রো-ব-১১-১৬৩০) তল্লাশি চালিয়ে ৫০০টি দেশীয় দা/চাপাতি উদ্ধার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে বাসের চালক ও সহকারী স্বীকার করেছে, প্রসীত বিকাশ খীসার নেতৃত্বাধীন ইউপিডিএফ সংগঠনের নির্দেশে খাগড়াছড়ি ও গুইমারা এলাকায় সহিংসতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে এসব অস্ত্র পরিবহন করা হচ্ছিলো। বিজিবি জানায়, উদ্ধারকৃত অস্ত্র, বাস ও সংশ্লিষ্ট তথ্য আইনগত ব্যবস্থার জন্য পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ক্যাম্প কমান্ডার সুবেদার আব্দুল মালেকের নেতৃত্বে চেকপোস্টে দায়িত্বরত বিজিবি সদস্য কর্তৃক বান্দরবান হতে রাঙ্গামাটিগামী সম্রাট পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস তল্লাশি করে আনুমানিক ৫০০টি দেশীয় অস্ত্র (দা/চাপাতি) মালিকবিহীন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে ওই বাসের চালক মো. শুক্কুর আলী ও চালকের সহকারী মো. সাব্বিরকে আটক করা হয়। চালক শুক্কুর আলী রাঙ্গামাটির কোতোয়ালি থানার রিজার্ভ বাজার এলাকার জয়নাল আবেদীনের পুত্র। চালকের সহকারী সাব্বির একই এলাকার মো. ইউসুফের পুত্র। তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বাসসহ আটক করা হয়। অবৈধ অস্ত্র পরিবহনের দায়ে এবং এ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য উদ্ঘাটনের জন্য বাসের চালক ও সহকারীকে কাপ্তাই থানা পুলিশ কর্তৃক জিজ্ঞাসাবাদ কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে থানার ওসি মোহাম্মদ কায় কিসলু জানান। কাপ্তাই ব্যাটালিয়নের কর্মকর্তারা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় বিজিবি সর্বদা সজাগ। যারা সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করতে চায়, বিশেষত ইউপিডিএফসহ সশস্ত্র বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেয়া হবে। স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন এবং অস্ত্রগুলোর উৎস ও পরিকল্পিত ব্যবহার সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত চলছে। এদিকে, খাগড়াছড়িতে মারমা শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের ঘটনায় অবরোধের নামে জারিকৃত ১৪৪ ধারা লঙ্ঘন করে খাগড়াছড়ি জুড়ে ব্যাপক সহিংসতা চালায় ইউপিডিএফ সন্ত্রাসীরা। উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে ইউপিডিএফের সহিংস কর্মকাণ্ড বেড়ে যাওয়ায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নজরদারি বাড়িয়েছে। বিজিবি’র এ সফল অভিযানকে সন্ত্রাসী তৎপরতা প্রতিরোধে একটি কার্যকর পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বাংলাদেশের ভোলা জেলার সন্ত্রাসীরাও এক সময় স্বাধীনতার দাবীতে অস্র মজুদ করার চেষ্টা করে ছিল। কিছু কিছু অস্র ধরা পরায় বাকী অস্র কোথায় গিয়েছে তার তথ্য বের করা সম্ভব হয় নাই। তাই ইউপিডিএফ এর অস্র উদ্ধারের মত ভোলা জেলার অস্রধারীদেরকেও সনাক্ত করে আইনের আওতায় নেওয়া প্রয়োজন। ছবিতে- পিতার কোলে রক্তাক্ত ও ধর্ষিতা মেয়ে, বিজিবি ক্যাম্পে আগুন, ধর্ষণের জন্য ইউপিডিএফের অস্র, সেনাবাহিনী ও ইউপিডিএফ মুখোমুখী, ইউপিডিএফের আক্রমন, বিজিবির মম্মুখবর্তীতা, অগ্নিসংযোগ ও সহিংসতা, সেনাবাহিনীর রক্তাক্ত।

    আরও খবর

                       

    জনপ্রিয় সংবাদ

    নোটিশ :