প্রতিনিধি 26 June 2026 , 11:06:19
মোঃ আবুল কাশেম,জেলা প্রতিনিধি:


নীলফামারির ডিমলার ভূয়া ও জাল দলিল দস্তাবেজের মত শশীভূষন থানাধীন এওয়াজপুরের দুই নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা ও সাংবাদিক মোঃ আবুল কাশেমের বাড়িতেও ভূয়া ও জাল দলিল দস্তাবেজে জমির মালিকানা। ভোলা জেলার চরফ্যাসন উপজেলার শশীভূষণ থানার এওয়াজপুর ইউনিয়নের দুই নং ওয়ার্ডের ভূয়া দাতা, ভূয়া সাক্ষীতে জাল রেজিষ্ট্রি ও বে-আইনী দলিলে জমি লিখে জমির বে-আইনী মালিক দাবী করে দূর্নীতিমূলকভাবে জমিতে বসতভিটা করেছে কাজল, আলাউদ্দিন, মিজান, আলমগীর, হাসান, রফিক কয়াল, কামাল, লিটন ও লোকমান। এবং বসতবাড়ি করেছে- তরিকল কয়াল, হাসান ফরাজী ও সফিজল ফরাজি। ঘটনাক্রমে জানা যায় যে, বাংলাদেশে হিন্দু বিরোধী দাঙ্গা শুরু হলে ভোলা জেলার চরফ্যাসন উপজেলার বর্তমান শশীভূষণ থানার এওয়াজপুর ইউনিয়নের দুই নং ওয়ার্ডের সরকার বাড়ি নামক হিন্দু বাড়িতে ঐ এলাকার বর্তমান দুই নং ওয়ার্ডের কয়সর নর্দাগ্যাং অগ্নিসংযোগ করে। এবং দুই নং ওয়ার্ডের রাদেশ্যামদের বাড়ি নামক হিন্দু বাড়িতে বর্তমান দুই নং ওয়ার্ডের অগ্নিসন্ত্রাসী কালু হাওলাদার গ্যাংয়েরা অগ্নিসংযোগ করে ও লুটপাট করে। উভয় হিন্দু বাড়ি-ঘরে অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের সময় একই দিনের সকাল ও দুপুর। এই দুটি সময়ে দুই হিন্দু বাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট নিয়ে তদানীন্তন চরফ্যাসন থানায় মামলা হলে- মামলার তদন্তকারীরা চালাকি করে সরকার বাড়ির জ্বালাও-পোড়াও স্থানে নর্দা কয়সর গ্যাংয়েরা আগুন সন্ত্রাস করা সত্ত্বেও সেখানে অগ্নিসন্ত্রাসী কালুহাওলাদার গ্যাংদেরকে হাজির করে লোকজনের কাছে জিজ্ঞাসা করেছিল যে, কালু হাওলাদার গ্যাংয়েরা সরকার বাড়িতে আগুন লাগিয়ে জ্বালাও-পোড়াও করেছে কিনা-। উপস্থিত সত্যবাদী সকলেই বলেছে যে, কালু হাওলাদার গ্যাংয়েরা সরকার বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে নাই। ধূরন্ধর চালাক আরেক তদন্ত কর্মকর্তা- রাদেশ্যামদের বাড়িতে জ্বালাও-পোড়াও স্থানে কালু হাওলাদার গ্যাংয়েরা আগুন লাগিয়ে লুটপাট করা সত্ত্বেও সেখানে নর্দা কয়সর গ্যাংদেরকে হাজির করে স্থানীয়দেরকে জিজ্ঞাসা করেছে যে, নর্দা কয়সর গ্যাংয়েরা রাদেশ্যামদের বাড়িতে আগুন সন্ত্রাস করেছে কিনা ও লুটপাট করেছে কিনা-? এমনকি অগ্নিসন্ত্রাসী কালু হাওলাদার গ্যাংদেরকে আড়াল করে লোকজনের কাছে জিজ্ঞাসা করেছিল যে, নর্দা কয়সর গ্যাংয়েরা রাদেশ্যামদের (হিন্দু বাড়িতে) বাড়িতে আগুন লাগিয়ে জ্বালাও-পোড়াও করেছে কিনা ও লুটতরাজ করেছে কিনা-। উপস্থিত সত্যবাদী সকলেই বলেছে যে, নর্দা কয়সর গ্যাংয়েরা রাদেশ্যামদের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে নাই, লুটপাটও করে নাই। এহেন অগ্নি সংযোগ, লুটতরাজ ও আইনহীনতার চরম অবক্ষয় দেখে ভীতিগ্রস্ত-আতঙ্কগ্রস্ত ও ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে- ভোলা জেলার চরফ্যাসন উপজেলার বর্তমান শশীভূষণ থানার বর্তমান এওয়াজপুর ইউনিয়নের দুই নং ওয়ার্ডের মনীন্দ্র চন্দ্র ঠাকুর তার বাড়িঘর বর্তমান সাংবাদিক মোঃ আবুল কাশেমের নিকট বিক্রি করে টাকা-পয়সা নিয়ে চলে যায়। বর্তমান সাংবাদিক মোঃ আবুল কাশেমের ঐ বাড়িঘর ক্রয় করে তার পিতামাতার নামে দলিল রেজিষ্ট্রি করে। বর্তমান সাংবাদিক মোঃ আবুল কাশেমের পিতামাতাকে জিম্মি করে ভুলভাল বুঝিয়ে ঐ জমিতে- ভোলা জেলার চরফ্যাসন উপজেলার বর্তমান শশীভূষণ থানার এওয়াজপুর ইউনিয়নের দুই নং ওয়ার্ডের ভূয়া দাতা, ভূয়া সাক্ষীতে ও জাল রেজিষ্ট্রি ও বে-আইনী দলিলে জমি লিখে জমির বে-আইনী মালিক দাবী করে দূর্নীতিমূলকভাবে জমিতে বসতভিটা করেছে ভূমিদস্যূ কাজল, ভূমিদস্যূ আলাউদ্দিন, ভূমিদস্যূ মিজান, ভূমিদস্যূ আলমগীর, ভূমিদস্যূ হাসান, ভূমিদস্যূ রফিক কয়াল, ভূমিদস্যূ কামাল, ভূমিদস্যূ লিটন ও ভূমিদস্যূ লোকমান এবং বসতবাড়ি করেছে- ভূমিদস্যূ তরিকল কয়াল, ভূমিদস্যূ হাসান ফরাজী ও ভূমিদস্যূ সফিজল ফরাজি। এমতাবস্থায় উক্ত সকল ভূমিদস্যূদেরকে ভূমিদস্যূতার ও সন্ত্রাসবাদের আইনের আওতায় নিয়ে তাদের দাবীকরা সকল দলিলপত্র ও দস্তাবেজের সঠিক ও নিঁখুত যাচাই-বাচাই সম্পন্ন করে জেলা রেজিষ্টার কর্তৃক জাল ও ভূয়া দলিলপত্র ও ভূয়া দস্তাবেজ স্বীকৃতি দিয়ে পুরোপুরি বাতিল ঘোষণা করা প্রয়োজন। এজন্য মাদক বিরোধী অভিযানের মত ভূয়া-জাল, বেআইনী দলিল দস্তাবেজের জমির মালিকদের বিরুদ্ধে সরকারি অভিযান শুরু করা জরুরী প্রয়োজন। ছবিতে- নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলার ভূয়া-জাল ও বেআইনী দলিল দস্তাবেজের জমির মালিকদের বিরুদ্ধে সরকারি অভিযানে গ্রেফতারকৃত আসামী।

















