যাএাবাড়ী থানা প্রতিনিধী:
ব্রাইট স্কুল অ্যান্ড কলেজের পরিচালক ও শিক্ষিকার মানসিক নির্যাতনে ১০ম শ্রেণীর ছাত্রী সাবিকুনের আত্মহত্যা
একটি অত্যন্ত দুঃখজনক ও হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটেছে। ব্রাইট স্কুল অ্যান্ড কলেজে, স্থাণীয় এলাকার ১০ম শ্রেণীর ছাত্রী সাবিকুন আত্মহত্যা করেছে। কিন্তু কেন একটি সম্ভাবনাময় প্রাণ এভাবে অকালে ঝরে গেল? এর পেছনে রয়েছে প্রতিষ্ঠানের পরিচালক আলহাজ্ব মাসুদ রানা লিটন এবং মাহমুদা ম্যাডাম, সানজিদা ম্যাডাম,রিফাত ম্যাডাম চরম মানসিক নির্যাতন ও দুর্ব্যবহার।
এই ঘটনার পেছনে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের অভিযোগের পাহাড় রয়েছে:
অভিভাবকদের চরম অপমান: সামান্য কারণে ছাত্র-ছাত্রীদের বাবা-মাকে স্কুলে ডেকে এনে সবার সামনে অত্যন্ত আপত্তিকর ও অকথ্য ভাষায় অপমান করা হয়। পরিচালক মাসুদ রানা লিটনের মুখের ভাষা এতটাই কুৎসিত ও বাজে যে তা মুখে আনার মতো নয়।
মাহমুদা ম্যাডাম, সানজিদা ম্যাডাম,রিফাত ম্যাডাম সম্পৃক্ততা ও নির্যাতন: এই মানসিক নির্যাতনের সাথে সরাসরি জড়িত আছেন মাহমুদা ম্যাডাম, সানজিদা ম্যাডাম,রিফাত ম্যাডাম। শিক্ষার্থীদের প্রতিনিয়ত মানসিক চাপে রাখা এবং তাদের সাথে অন্যায় আচরণ করার পেছনে তারও বড় ভূমিকা রয়েছে।
শারীরিক নির্যাতন ও টিসির হুমকি: শিক্ষার্থীদের কারণে-অকারণে মারধর করা এবং কথায় কথায় স্কুল থেকে ‘টিসি’ (Transfer Certificate) দিয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া এদের নিত্যদিনের স্বভাব।
পরিবারে অশান্তি সৃষ্টি: স্কুল কর্তৃপক্ষের এমন অপমানজনক আচরণের পর স্বাভাবিকভাবেই অভিভাবকরা চরম মানসিক দুশ্চিন্তায় ভোগেন। অনেক সময় তারা বাসায় গিয়ে সন্তানদের শাসন করেন। এর ফলে কোমলমতি ছেলে-মেয়েরা মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে, বাবা-মার সাথে ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হয় এবং একপর্যায়ে সাবিকুনের মতো ছাত্রীরা আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে বাধ্য হয়।
আমাদের দাবি:
একজন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীলদের কাজ শিক্ষার্থীদের গাইড করা, তাদের মানসিক নির্যাতন করা বা অভিভাবকদের অপমান করা নয়। পরিচালক আলহাজ্ব মাসুদ রানা লিটন এবং সানজিদা ম্যাডাম,রিফাত ম্যাডাম মাহমুদা ম্যাডামের এই লাগামহীন ও নিষ্ঠুর আচরণের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। সাবিকুনের এই অকাল মৃত্যুর সুষ্ঠু তদন্ত হোক এবং এই ঘটনার সাথে জড়িত মাহমুদা ম্যাডামসহ সকলকে অবিলম্বে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হোক। আর কোনো সন্তানকে যেন এভাবে প্রাণ হারাতে না হয়।