প্রতিনিধি 13 June 2026 , 11:08:34
সম্প্রতি স্থানীয় কয়েকটি পত্রিকা ও অনলাইন গণমাধ্যমে আমার নাম জড়িয়ে যে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে, তার প্রেক্ষিতে প্রকৃত ঘটনা জনসম্মুখে তুলে ধরার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছি। মাধবপুর উপজেলার ৬নং শাহজাহানপুর ইউনিয়নের নোয়াগাঁও গ্রামের আহম্মদ আলী ও জামাল মিয়া গং-এর মধ্যে জায়গাজমি সংক্রান্ত জিআর মামলা নং-৪১৬/২০২৪ দীর্ঘদিন ধরে বিচারাধীন ছিল। পরবর্তীতে উভয় পক্ষের সম্মতিতে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মধ্যস্থতায় বিষয়টি আপোষ-মীমাংসার মাধ্যমে নিষ্পত্তি হয় এবং আপোষনামাটি যথাযথ নিয়মে আদালতে দাখিল করা হয়েছে। গত ১০ জুন ২০২৬ তারিখে উক্ত মামলার একজন আসামিকে তেলিয়াপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির এসআই শহিদুল ইসলাম আটক করে ফাঁড়িতে নিয়ে গেলে বিষয়টি জানতে পেরে আমি সেখানে উপস্থিত হই। আমি বিনয়ের সঙ্গে এসআই শহিদুল ইসলামকে অবহিত করি যে মামলাটি ইতোমধ্যে আপোষ-মীমাংসার মাধ্যমে নিষ্পত্তি হয়েছে এবং বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়ার অনুরোধ জানাই। কিন্তু তিনি হঠাৎ উত্তেজিত হয়ে আমার সঙ্গে উচ্চস্বরে কথা বলতে শুরু করেন এবং অপমানজনক আচরণ করেন। একপর্যায়ে পরিস্থিতি অনাকাঙ্ক্ষিত রূপ নিলে আমি সেখান থেকে চলে আসি। পরদিন জানতে পারি, এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আমার বিরুদ্ধে মাধবপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। আমি ৬নং শাহজাহানপুর ইউনিয়ন বিএনপির নির্বাচিত সভাপতি হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে এলাকার সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখ, সমস্যা ও বিভিন্ন সামাজিক বিষয়ে পাশে থাকার চেষ্টা করে আসছি। সেদিনও একজন স্থানীয় মানুষের অনুরোধে এবং মানবিক দায়িত্ববোধ থেকে পুলিশ ফাঁড়িতে গিয়েছিলাম। সেখানে আমাকে উদ্দেশ্য করে “আপনি বিএনপির সভাপতি তো কী হয়েছে, আপনি নিজেকে কী মনে করেন?”— এ ধরনের মন্তব্য করা হয়েছে, যা একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে আমাকে অত্যন্ত মর্মাহত করেছে। আমি মনে করি, আমার বিরুদ্ধে দায়ের করা জিডি এবং এ সংক্রান্ত প্রকাশিত সংবাদ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, বিভ্রান্তিকর ও ষড়যন্ত্রমূলক। প্রকাশিত সংবাদে প্রকৃত ঘটনার সঠিক প্রতিফলন ঘটেনি। তাই আমি উক্ত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, ভবিষ্যতে সংবাদ প্রকাশের পূর্বে প্রকৃত ঘটনা যাচাই-বাছাই করে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার পরিচয় দেওয়ার জন্য। বিনীত, (আলফাজ মিয়া মহালদার) সভাপতি ৬নং শাহজাহানপুর ইউনিয়ন বিএনপি মাধবপুর, হবিগঞ্জ।

















